Radius: Off
Radius:
km Set radius for geolocation
Search

বাংলাদেশের প্রাণিসম্পদ বিষয়ক নীতিমালা

নীতি প্রনয়ন, প্রবিধান এবং বেসরকারী খাতের পণ্যের গুণগত মান নিয়ন্ত্রণ ইত্যাদিতে সরকারি খাত অগ্রনী ভূমিকা পালন করে। পর্যালোচিত নীতিমালা গুলি নিম্নরূপ:

  • জাতীয় প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন নীতিমালা (এনএলডিপি) -২০০৭
  • জাতীয় পোল্ট্রি উন্নয়ন নীতিমালা – ২০০৮
  • মৎস্য ও প্রাণিসম্পদ মন্ত্রনালয়ের জাত উন্নয়ন নীতিমালা
  • আরএসএফ
  • দর্শন বা ভিশন ২০২১

জাতীয় প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন নীতিমালা – ২০০৭

প্রাণিসম্পদ উপ সেক্টরের সর্বাঙ্গিন টেকসই উন্নয়নের সুযোগ ও চ্যালেঞ্জ মোকাবেলায় জাতীয় প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন নীতিমালা একটি নীতি কাঠামো প্রনয়নের জন্য তৈরি করা হয়েছে। জাতীয় প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন নীতিমালা পর্যালোচনান্তে নিম্নবর্নিত বিষয়াদি গুরুত্ব লাভ করে।

  • বেসরকারি খাতের অংশগ্রহনের মাধ্যমে ছোট আকারের দুগ্ধ এবং পোল্ট্রি খামারীদের প্রণোদনা প্রদান।
  • উচ্চ সম্ভাবনাময় এলাকাগুলিতে বিশেষ প্রকল্প গ্রহনের মাধ্যমে ছাগল, মহিষ এবং হাঁস পালনে উদ্ভুদ্ধ করা।
  • প্রাতিষ্ঠানিক পুনর্গঠনের মাধ্যমে ডিএলএস এর কার্যপরিধি গতিশীল করা। আইন প্রনয়ন ও প্রয়োগের মাধ্যমে নিয়ন্ত্রনকারী সংস্থাকে জোরদার করা যাতে ঔষধ, খাদ্যে এবং জাত উন্নয়নের সাথে সংশ্লিষ্ট সামগ্রীর অপব্যবহার রোধ হয়।
  • পোল্ট্রি এবং গবাদি প্রাণির টিকা উৎপাদনসহ ভেটেরিনারি সেবা বেসরকারি করন করা।

জাতীয় প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন নীতিমালার সুনির্দিষ্ট উদ্দেশ্যবলী:
ডিম, দুধ ও মাংস উৎপাদন বৃদ্ধি, প্রক্রিয়াজাতকরন এবং মুল্যসংযোজনে টেকসই উন্নয়ন লাভের জন্য উৎসাহ প্রদান করা।

  • ভূমিহীন, ক্ষুদ্র এবং প্রান্তিক খামারীদের আয়ের উৎস, পুষ্টি সরবরাহ এবং আত্মকর্মসংস্থান তৈরীতে প্রাণিসম্পদ সেক্টরের উন্নয়নের ধারাবাহিকতা বজায় রাখা।
  • বেসরকারি খাতের অংশগ্রহন এবং বিনিয়োগ সহজতর করা এবং উৎপাদিত প্রানিজাত পণ্যের জন্য দেশ-বিদেশে বাজার তৈরী করা।

জাতীয় প্রাণিসম্পদ উন্নয়ন নীতিমালা ১০টি সংকটপুর্ন কর্মএলাকা সনাক্ত করেছে যাহা নিম্নরুপ:

    • দুগ্ধ খামার স্থাপন এবং মাংস উৎপাদন বৃদ্ধি
    • হাঁস-মুরগীর ক্রমবিকাশ
    • প্রাণি স্বাস্হ্য এবং চিকিৎসা সেবা
    • প্রাণি খাদ্য এবং ঘাস উৎপাদন
    • জাত উন্নয়ন
    • চামড়া ও প্রাণিজাত পণ্যের বিক্রয় ব্যবস্থা

.

  • আন্তর্জাতিক বাণিজ্য ব্যবস্থাপনা
  • ঋন সুবিধা এবং বীমা প্রক্রিয়া
  • গবেষনা এবং সম্প্রসারণের জন্য প্রাতিষ্ঠানিক উন্নয়ন

দর্শন বা ভিশন ২০২১ :

    বাংলাদেশের ভিশন ২০২১ পর্যালোচনা করে দেখা যায় যে, সংকট মোকাবেলা এবং একটি সমৃদ্ধ ভবিষ্যত গড়ার জন্য প্রাণিসম্পদ উপ সেক্টরে নিম্নরূপ বাস্তবায়নযোগ্য লক্ষবস্ত্ত নির্ধারন করা হয়।

  • দেশের ৮৫% জনগোষ্ঠীর প্রয়োজনীয় প্রাণিজাত খাদ্যের চাহিদা পূরন করতে বছরভিত্তিক মাথাপিছু ১০৪ টি ডিম, ১৫০ মিলি দুধ ও ১১০ গ্রাম মাংসের সহজলভ্যতা নিশ্চিত করা।
  • বেকারত্বের সংখ্যা ২.৮ কোটি (২০১৩ সাল অনুযায়ী) থেকে ২০২১ সাল নাগাদ ১.৫ কোটিতে নামিয়ে আনা এবং ১.১২ কোটি মানুষদের প্রত্যক্ষভাবে চাকুরীর সুযোগ তৈরি করা।
  • প্রাণিসম্পদ উপ সেক্টর ২৫% দারিদ্র বিমোচনে এবং ১৫% অতি দারিদ্র দূরীকরনে সহায়ক ভুমিকা পালন করবে।
  • প্রাণি চিকিৎসা সেবা প্রদানে তথ্যপ্রযুক্তির ব্যবহার উল্লেখযোগ্য মাত্রায় বাড়াতে হবে যাতে ডিজিটাল বাংলাদেশ গড়ার উদ্দেশ্য বাস্তবায়ন হয়।
  • দরিদ্র জনগনের আয় বৃদ্ধির ক্ষেত্র তৈরি করা।